মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সাধারণ তথ্য

 

 

 

 

যুবউন্নয়নঅধিদপ্তরেরপ্রোফাইল

নাম

 

:

যুবউন্নয়নঅধিদপ্তর

:

যুবভবন, ১০৮, মতিঝিলবা/এ, ঢাকা-১০০০

অধিদপ্তরেরপ্রধাননির্বাহীর পদবী

:

মহাপরিচালক

ওয়েবসাইট

:

www.dyd.gov.bd

ই-মেইল

:

dgdydhq@gmail.com / ictdyd@gmail.com

জেলার কর্মকর্তার পদবী

:

উপ-পরিচালক

উপজেলার কর্মকর্তার পদবী

:

উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার

উপজেলা অফিসের ই-মেইল

:

dydkalihati@gmail.com

উপজেলা অফিসের ল্যান্ড ফোন

:

092257746123

উপেজেলা কর্মকর্তার মোবাইল নম্বর

:

01710 851 45 38

যুব জনগোষ্ঠী

:

৫০.৬৭ মিলিয়ন

শিক্ষিত যুব

:

৫৫%   

গ্রাম বসবাসরত যুব 

:

৭৩%

দরিদ্র যুব

:

৩১.০৫%

 

যুবকার্যক্রম

যুবসমাজ যে কোন দেশের মূল্যবান সম্পদ জাতীয়  উন্নয়ন ও অগ্রগতি যুব সমাজের সক্রিয়  অংশগ্রহনের  উপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল।  যুবসমাজের মেধা, সৃজনশীল সাহস ও প্রতিভাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠে একটি জাতির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্ক্রতিক পরিমন্ডল। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশও যুব সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার, নীতি নির্ধারক ও সিদ্বান্ত গ্রহনকারী। জনসংখ্যার সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ও উৎপাদনমূখী অংশ হচ্ছে যুবগোষ্ঠি। দেশের অসংগঠিত, কর্মপ্রত্যাশী এই যুবগোষ্ঠিকে সুসংগঠিত, সুশৃখল এবং উৎপাদনমূখী শক্তিতে রুপান্তরের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন যুব  উন্নয়ন অধিদপ্তর নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। 

                                                           

একটি কথা প্রচলিত আছে যে, “বয়স্ক ব্যক্তিরা ইতিহাস লিখেন কিন্তু যুব সমাজ ইতিহাস তৈরী করে।’’ যুব সমাজই একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যুবসমাজের সক্রিয় অংশ গ্রহণ তাই অপরিহার্য। উন্নয়নের চিন্তা বাস্তবতা বিবর্জিত। উন্নয়নের রিলেরেসে যুবসমাজই বয়স্কদের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করে থাকে। যুব সমাজ বলবান, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও উৎপাদনশীল শক্তি। তাদের আছে স্বপ্ন, আছে নতুনের প্রতি আসক্তি এবং আশা-আকাঙ্খা। তারা চঞ্চল কিন্তু বেগবান। যুবসমাজের আত্মপ্রত্যয় ও গতিময়তাকে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও কাজে লাগাতে পারলে উন্নয়নের গতি পথ হবে পরিশীলিত ও সতেজ। যুবসমাজকে তাই জাতীয় উন্নয়নের প্রতিটি স্তরে সম্পৃক্ত করা অপরিহার্য।

জাতীয় যুব নীতি অনুসারে বাংলাদেশের ১৮-৩৫   বছরবয়সী জনগোষ্ঠিকে যুবহিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এ বয়সসীমার জনসংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ; যা আনুমানিক ৫কোটি। জনসংখ্যার প্রতিশ্রুতিশীল, উৎপাদনমুখী ও কর্মপ্রত্যাশী এই যুবগোষ্ঠিকে সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং দক্ষজনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর নিরলসভাবেপ্র চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এলক্ষ্যে দেশের  জনসংখ্যার সম্ভাবনাময় এ অংশকে জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করে তাদের  মাঝে গঠনমূলক মানসিকতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা এবং সুশৃঙ্খল কর্মী বাহিনী হিসেবে দেশের আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত করার অনুকূল ক্ষেত্র তৈরীর উদ্দেশ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর শুরু থেকেই  বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচিগ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে, যার সুফল ইতোমধ্যে জাতীয় কর্মকান্ডে প্রতিফলিত হচ্ছে।

অনুৎপাদনশীল যুবসমাজকে সুসংগঠিত উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করে যা পরবর্তীতে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃ নামকরণ করা হয়। মাঠ পর্যায়ে যুব ও ক্রীড়া  মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১৯৮১ সালে যুবউন্নয়ন অধিদপ্তর গঠন করা হয়।

 

আমাদের পক্ষ থেকে আহবানঃ

যুব ঊন্নয়ন  অধিদপ্তর বেকার যুবদের দেশের আর্থ-সামাজিক  উন্নয়নে সম্পৃক্তকরে তাদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তাদের কর্মস্পৃহা এবং কর্মোদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেএে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদেরকে বিভিন্ন উৎপাদনমুখী বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে অত্যন্ত  সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা  হচ্ছে। এসব কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্যে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের  কার্যালয় রয়েছে। এছাড়া,  দেশের ৬৪টি জেলায় আবাসিক ও অনাবাসিক(ভাড়াবাড়িতে) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। তদুপরি দেশের সকল উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে  আবাসিক ও অনাবাসিক এবং স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষ ণগ্রহণ করে বেকার যুবরা কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মকান্ডের প্রচারস্বল্পতার কারণে বহু যুবক ও যুবমহিলার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের  কার্যক্রমস ম্পর্কে কোন ধারণা নেই। আমরা দেশের সকল যুবক ও যুবমহিলার কাছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের  কর্মকান্ডের তথ্য পৌঁছে দিতে চাই। কালিহাতি উপজেলার উন্নয়ন কর্মকান্ডের এই ব্রোশিয়ারটি যারা পড়বেন তাদেরকাছে আমাদের সনির্বন্ধ অনুরোধ আপনারা  যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের  কার্যক্রম সম্পর্কে বেকার যুবদের অবহিত করবেন।

 

অধিদপ্তরের সম্পাদনযোগ্য কর্মাবলিঃ

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যবন্টন(রুলস্ অব বিজনেসের ১নং তফসিল) অনুযায়ী যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রণালয়ের অধীন যুবউন্নয়ন অধিদপ্তরের উপর নিমণর্ণিত কার্যাদি অর্পিত হয়েছেঃ

 

 যুবদের কল্যাণ, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ক কার্যাদি।

  • উন্নয়ন মূলক কাজে যুবদের স্বেচ্ছায় অংশ গ্রহণে উৎসাহিত করা।
  • যুবদের কল্যাণের জন্য সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ রাখা।
  • যুব পুরস্কারপ্র দান।
  • যুবদেরকে দায়িত্বশীল, আত্মবিশ্বাসী এবং অন্যান্য মানবিক গুণাবলি অর্জনে উৎসাহ প্রদানের জন্য কর্মসূচি  গ্রহণ।
  • বেকার যুবদের জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ।

 

অধিদপ্তরের ভিশনঃ

  1. অনুৎপাদনশীল যুব সমাজকে সুসংগঠিত,  সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখি শক্তিতে  রূপাত্মর করা।
  2. দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক  প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান কিংবা স্ব-কর্মসংস্থানে নিয়োজিত করা।
  3. জাতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে বেকার যুবদের সম্পৃক্ত করা।   

 

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মিশনঃ

Ø  উদ্বুদ্ধকরণ, প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্রঋণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তার মাধ্যমে যুবদের কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত করাসহ দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরে তাদের সম্পৃক্ত করা।

 

Ø  বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী যুবসংগঠনের মাধ্যমে গোষ্ঠি উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য যুবদের বিভিন্ন গ্রুপে সংগঠিত করা।

 

Ø  স্থানীয় পর্যায়ে যুবসংগঠনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

 

Ø  যুবদের গণশিক্ষা কার্যক্রম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, পরিবেশ উন্নয়ন, সম্পদ সংরক্ষণ ইত্যাদি আর্থ-সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণ এবং সমাজবিরোধী কার্যকলাপ, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার, এইচআইভি/এইডস এবং এসটিডি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

 

Ø  যুবদের ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্ত  গ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে দুই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু আছে।

১) প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি (জেলা কার্যালয়ে অনাবাসিক ও যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেআবাসিক) এবং
২) অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি (উপজেলা পর্যায়ে অনাবাসিক)।

ক)প্রাতিষ্ঠানিকঃ
প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আবাসিক ও অনাবাসিক এ দুই ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ট্রেডসমূহে প্রশিক্ষণের মেয়াদ ১ মাস হতে ৬ মাস। প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কোর্সের আওতায় আইসিটি মোবাইল ভ্যানের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণও প্রদান করা হয়,

 

ট্রেডসমূহ-

১. গবাদিপশু, হাঁস-মুরগী পালন, প্রাথমিক চিকিৎসা,

মৎস্য চাষ ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ।
২. মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ ।
৩. পোশাক তৈরী প্রশিক্ষণ।
৪. কম্পিউটার বেসিক প্রশিক্ষণ।
৫. কম্পিউটার গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ।
৬. ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ।
৭. রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার-কন্ডিশনিং প্রশিক্ষণ।
৮. ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণ।
৯. ব্লক প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ।
১০. ব্লক, বাটিক ও স্ক্রিন প্রিন্টিং প্রশিক্ষণ।
১১. ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ।
১২. মডার্ন অফিস ম্যানেজমেন্ট এ- কম্পিউটার

এ্যাপ্লিকেশন প্রশিক্ষণ।
১৩. সোয়েটার নিটিং প্রশিক্ষণ (এমওইউ’র মাধ্যমে)।
১৪.লিংকিং মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণ (এমওইউ’র

মাধ্যমে)।

১৫. মৎস্য চাষ প্রশিক্ষণ(অনাবাসিক)।
১৬. ওভেন সিউইং মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণ।

১৭. সংক্ষিপ্ত হাউজকিপিং প্রশিক্ষণ এমওইউ’র
মাধ্যমে)।
১৮. হাউজকিপিং এ- লন্ড্রি অপারেশনস প্রশিক্ষণ।
১৯. ফুড এ- বেভারেজ সার্ভিস প্রশিক্ষণ।

২০. মুরগী পালন  ব্যবস্থাপনা এবং বার্ড-ফ্লু প্রতিরোধ

ও জীব নিরাপত্তা বিষয়ক সচেতনতা প্রশিক্ষণ।
২১. বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন ফুল ও সবজি চাষ,

সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ।
২২. মাশরুম চাষ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন

প্রশিক্ষণ।
২৩. নার্সারি, ফল গাছের বংশ বিস্তার এবং ফল বাগান

তৈরী ও ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ।
২৪. বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ  এবং

বিপণনপ্রশিক্ষণ।
২৫. দুগ্ধবতী গাভী পালন ও গরু মোটাতাজাকরণ

প্রশিক্ষণ।
২৬. ফুড প্রসেসিং প্রশিক্ষণ।
২৭. বিউটিফিকেশন এ- হেয়ার কাটিং প্রশিক্ষণ।
২৮. আরবী ভাষা শিক্ষা প্রশিক্ষণ।
২৯. মোবাইল সার্ভিসিং এ- রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণ।
৩০. টুরিষ্ট গাইড প্রশিক্ষণ।
৩১. শতরঞ্জি প্রশিক্ষণ।
৩২. গ্রাফিক্স ডিজাইন (ফটোসপ ও ইলাস্ট্রেটর)

    প্রশিক্ষণ।
৩৩.  হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ।

খ)অপ্রাতিষ্ঠানিকঃ
অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন ট্রেডে প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রদান করা হয়। অপ্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডের মেয়াদ ০৭ দিন থেকে ২১ দিন।

ট্রেডসমূহ-

১. পারিবারিক হাঁস-মুরগী পালন।
২. ব্রয়লার ও ককরেল পালন।
৩. বাড়ন্ত মুরগী পালন।
৪. ছাগল পালন।
৫. গরু মোটাতাজাকরণ।
৬. পারিবারিক গাভী পালন।
৭. পশু-পাখির খাদ্য প্রস্ত্তত ও বাজারজাতকরণ।
৮. পশু-পাখির রোগ ও তার প্রতিরোধ।
৯. কবুতর পালন।
১০. কাঁচা চামড়া সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ।
১১. মৎস্য চাষ।
১২. সমন্বিত মৎস্য চাষ।
১৩. মৌসুমী মৎস্য চাষ।
১৪. মৎস্য পোনা চাষ (ধানী পোনা)।
২৯. স্ক্রীন প্রিন্টিং।
৩০. মৃতশিল্পের কাজ।
৩১. মনিপুরী তাঁত শিল্প।
৩২. কাগজের ব্যাগ ও ঠোঙ্গা তৈরী।
৩৩. বাঁশ ও বেতের সামগ্রী তৈরী।
৩৪. নকশি কাঁথা তৈরী।
৩৫. কারু

১৫. মৎস্য হ্যাচারি স্থাপন।
১৬. প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষ।
১৭.গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষ।
১৮. শুটকী তৈরী ও সংরক্ষণ।
১৯. বসতবাড়িতে সবজি চাষ।
২০. নার্সারি।
২১. ফুল চাষ।

২২. ফলের চাষ।
২৩. কম্পোষ্ট সার তৈরী।
২৪. গাছের কলম তৈরী।
২৫. ঔষধি গাছের চাষাবাদ।
২৬. ব্লক প্রিন্টিং।
২৭. বাটিক প্রিন্টিং।
২৮. পোশাক তৈরী।
৩৬. পাটজাত পণ্য তৈরী।
৩৭. চামড়াজাত পণ্য তৈরী।
৩৮. চাইনিজ ও কনফেকশনারি।
৩৯. রিক্সা, সাইকেল, ভ্যান মেরামত।
৪০. ওয়েল্ডিং  ও
৪১. ফটোগ্রাফি।

 

যুব ঋণ কর্মসূচি

ক) আত্মকর্মসংস্থান ঋণ কর্মসূচি (ব্যক্তি কেন্দ্রিক ঋণ):

এ কর্মসূচির আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কোর্সে প্রশিক্ষিত যুবদের আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প সৃজনের জন্য সকল উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে ঋণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ ও প্রকল্প ভেদে সর্বনিম্ন ঋণপ্রত্যাশীকে ৩০,০০০/- টাকা হতে শুরু করে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০/- টাকা ঋণ প্রদানের সুযোগ রয়েছে।

 

খ) পরিবারভিত্তিক ঋণ কর্মসূচিঃ

এ কর্মসূচির আওতায় তৃনমূল পর্যায়ের হতদরিদ্র বেকার যুবদের পারিবারিক গ্রুপে সংগঠিত করে ২৫৮ উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে  সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করে ঋণ প্রদান করা হয়। গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ০৫ জন, এবং ৭ থেকে ১০টি গ্রুপ নিয়ে একটি কেন্দ্র ঘটিত হয়। গ্রুপের প্রত্যেক সদস্যকে প্রাথমিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০,০০০/- টাকা এবং পর্যায়ক্রমে ১৫০০০/- এবং ২০,০০০/-  টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করার সুযোগ রয়েছে।

 

আত্মকর্মসংস্থানঃ

প্রশিক্ষণলদ্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প গ্রহনের  মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্যপ্রশিক্ষিত যুবদের উদ্বুদ্ধ করা হয় এবং প্রকল্প গ্রহণ ও পরিচালনার জন্য অধিদপ্তরের ঋণ সুবিধার পাশাপাশিকর্মসংস্থান ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হতে পুঁজি প্রাপ্তিতে সহায়তা করা হয়। সাধারণভাবে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত যুবদের মাসিক আয় ৩,০০০/- টাকা থেকে ৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত। তবে কোন কোন সফল আত্মকর্মী যুব মাসে লক্ষাধিক টাকাও আয় করে থাকেন।

 

যুব সংগঠন রেজিষ্ট্রেশনঃ

যে সমস্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুব কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তাদের কার্যক্রমকে অধিকতর অর্থবহ, দায়িত্বশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সেসব সংগঠনকে রেজিষ্ট্রেশন দেয়ার সুযোগ রয়েছে। রেজিষ্ট্রেশনভূক্তি গ্রহণেচ্ছু সংগঠন স্ব স্ব উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে উপ-পরিচালকের নিকট আবেদন করতে পারে।

 

যুব সংগঠন অনুদানঃ

যে সমস্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুব কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে তাদেরকে এ কাজে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে
ক) যুব কল্যাণ তহবিল (যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সরাসরি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত) হতে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।


খ) অনুন্নয়ন খাত (অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত) হতে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়া দপ্তর হতে সময় সময় বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করে সংগঠন ভিত্তিক কার্যক্রমকে অনুপ্রেরণা প্রদান করা হয়।

 

বিভিন্ন দিবস উদ্‌যাপনঃ

১ নভেম্বর জাতীয় যুবদিবস সহ অন্যান্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপন করা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

GK bR‡i hye Dbœqb Awa`ßi, KvwjnvwZ, Uv½vBj Kvh©vj‡qi ïiæ †_‡K wW‡m¤^iÕ2015wLªt ch©šÍ ev¯ÍevwqZ mvgMÖxK Kvh©µ‡gi weeiY t

 

µtbs

                 Kv‡Ri weeib

msL¨v

gšÍe¨

1

AcÖvwZôwbK cÖwkÿY (ivR¯^)

4444 Rb

 

AcÖvwZôwbK cÖwkÿY (Dbœqb)

1280 Rb

 

‡gvU = 5724 Rb

 

cÖvwZôwbK cÖwkÿY

550 Rb

 

            me©‡gvU= 6274 Rb

 

2

AvZ¥Kgx©

2295 Rb

3

me©‡gvU hye FY weZiY

1,81,59,000/=

689 hye/hye gwnjvi gv‡S|

4

me©‡gvU Av`vqK…Z UvKv

1,65,65,872/=

Av`v‡qi nvi= 94% |

     


Share with :

Facebook Twitter